খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বাণিজ্য ঘাটতি কমলে মার্কিন শুল্ক আরও কমতে পারে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
বাণিজ্য ঘাটতি কমলে মার্কিন শুল্ক আরও কমতে পারে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা অফিস ।।

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের শুল্ক আরো কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয়ের (ইউএসটিআর) দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

 

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের যে আলোচনা চলমান রয়েছে, তার ধারাবাহিকতায় এর আগে দুই দফা যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনা করেছি। আজকে আবার বাংলাদেশে আলোচনা করলাম। আমরা বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে শুল্ককে নিম্নমুখী বিবেচনার জন্য তাদের অনুরোধ করেছি। একই সঙ্গে তারা আশ্বাস দিয়েছেন, আমরা যদি বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারি, তাহলে আশা করতে পারি আমাদের শুল্ক হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে চুক্তি করার কথা ছিলো সেটা কবে হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এই মুহূর্তে চুক্তি হচ্ছে না। তবে সেই চুক্তির জন্যই এই আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা যে প্রেক্ষাপটে যে পণ্য সম্ভার নিয়ে আলোচনা করেছি। সেই পণ্যগুলোর অগ্রগতির পর্যালোচনা করেছি। আপনারা জানেন, আমাদের কতগুলো ক্রয়ের প্রতিশ্রুতি ছিলো, যেমন বিমান কেনাসহ অন্যান্য পণ্য কেনার যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে সেগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের অগ্রগতির পর্যালোচনায় দেখন গেছে, আমদানি আস্তে আস্তে বাড়ছে এবং যে পর্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে না পৌঁছাবে সে পর্যন্ত শুল্ক হ্রাস হবে না। এতে করে উভয় দেশেরই সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কয়েকটি পণ্যের ওপর ভিত্তি করে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চেষ্টা করছি। এরমধ্যে কৃষিপণ্য ও জ্বালানি পণ্য রয়েছে। এসব পণ্য আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে আমরা কিনতে পারছি। এছাড়া এর বাইরেও আমাদের বিমান কেনা, এলএনজির বিষয় রয়েছে। সুতরাং আমাদের অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে মনে করছি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল কী বলে গেলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সন্তোষজনক অগ্রগতি হচ্ছে আমাদের। যুক্তরাষ্ট্রের তুলার ওপরে নির্ভর করে পোশাক শিল্পের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছি। আজকের আলোচনার অন্যতম লক্ষ্য ছিলো সেক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি আছে। আমাদের যে তুলা উৎপাদন হয় তা আমাদের মোট চাহিদার দুই শতাংশ। আমাদের ৯৮ শতাংশ তুলা আমদানি করতে হয়। তাই আমাদের আগ্রহ ছিলো এটার ওপর ভিত্তি করে শুল্ক হ্রাস করা।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে আমদানিকারকদের কোনো সুবিধা দেওয়া হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেসরকারি পর্যায়ে কোনো পণ্যের দাম বেশি হলে সেটা আমদানি করতে সরকার বাধ্য করতে পারবে না। এই মুহুর্তে যুক্তরাষ্ট্রে কৃষি পণ্য তুলনামুলকভাবে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। আমার জানামতে, বেসরকারি খাতে গত দুই মাসে সয়াবিন বীজ আমাদানি হয়েছে। কারণ তারা সেখানে উপযুক্ত মূল্যে পাচ্ছে। সেখানে যে তেলবীজটা পাওয়া যায় সেটা অত্যন্ত উন্নতমানের ও তেল বেশি হয়। ফলে আপাত দৃষ্টিতে দাম বেশি পড়লেও প্রকৃতপক্ষে সস্তাই পড়বে।

বাণিজ্য ঘটতি ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়ে কী আলোচনা করেছেন জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আজকে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়া অন্যকোনো ইস্যু ছিলো না। লেবার ইস্যু নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

বাণিজ্য সচিব বলেন, আপনারা জানেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের ছয় বিলিয়ন ডলারের মতো বাণিজ্য ঘাটতি আছে। এজন্য তাদের থেকে সয়াবিন আমদানি করছি। সেটাও আমাদের প্রতিশ্রুতির একটা অংশ। গত অর্থবছরে আমরা তাদের থেকে তুলা কিনেছি ৬ মিলিয়ন ডলারের। আর এ বছর দুই মাসেই ২৭৩ মিলিয়ন ডলারের কেনা হয়েছে। এভাবেই আমাদের আমদানি বেড়েছে।

আমাদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে যে চুক্তিটা হবে সেখানে কি শুল্ক কমানোর বিষয়টা থাকবে, জানতে চাইলে শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, সেটা নির্ভর করবে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসের ওপর।

বোয়িং আমাদানির কোনো পরিকল্পনা দিয়েছেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা একটা দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা। আমরা যে দুই কোম্পানি থেকে বোয়িং আনবো তারা ২০৩২ সালের আগে দিতে পারবে না। প্রতিবছর তারা নিদিষ্ট সংখ্যার বেশি বোয়িং উৎপাদন করতে পারে না।

বোয়িং দিয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব না, বিষয়টা এমন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোয়িং দিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব। আমরা আশা করছি, তাৎপর্যপূর্ণভাবে আমরা যদি বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারি, তাহলে আরো বেশি অগ্রাধিকার শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারব। ফলে আমাদের আমদানি ও রপ্তানি উভয় বাড়বে।

ফেব্রুয়ারিতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
ফেব্রুয়ারিতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতের জন্য মনোনীত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।

 

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। এজন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

বৈঠকে সার্জিও গোর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রতি সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা, সার্ক পুনরুজ্জীবন, রোহিঙ্গা সংকট এবং ঢাকাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত ভ্রান্ত তথ্য প্রচারসহ দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা কক্সবাজারে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতা চান। এ সময় মার্কিন কর্মকর্তারা রোহিঙ্গাদের জন্য জীবনরক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টা সার্জিও গোরকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের দেখে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের দেখে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

গাজীপুরের টঙ্গীতে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের চিকিৎসাসহ সব ধরনের সহযোগিতা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি দুর্ঘটনায় দগ্ধ রোগীদের দেখতে যান তিনি।

এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দগ্ধদের যত ধরনের সাপোর্ট প্রয়োজন, সরকারের পক্ষ থেকে তা নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসায় কোনো অবহেলা হবে না।

কেমিক্যাল গোডাউন অপসারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরান ঢাকায় কেমিক্যাল দুর্ঘটনার পর সেসব গোডাউন মুন্সিগঞ্জের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। টঙ্গীর ঘটনাটি একটি দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা। আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, বর্তমানে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্য ভর্তি আছেন। তাদের শরীরের ৪০ শতাংশের বেশি দগ্ধ হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দগ্ধ রোগীদের দেশের বাইরে নিলে ভালোও হতে পারে, আবার ঝুঁকিও থাকতে পারে। এজন্য বিষয়টি সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে টঙ্গীর একই ঘটনায় দগ্ধ আলআমিন হোসেন বাবু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নিউইয়র্কে ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: মুশফিকুল আনসারী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: মুশফিকুল আনসারী

ঢাকা: মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের রাজনৈতিক সফর সঙ্গীদের ওপর পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে তিনি এ কথা লিখেছেন।

 

মুশফিকুল ফজল আনসারী লিখেছেন,
‘নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, জুলাই আন্দোলনের এক বীর সেনানী এবং একজন মহিলা রাজনৈতিক নেত্রীর উপর জঙ্গী কায়দায় হামলে পড়া, নিশ্চয়ই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন আমলে নিবে।

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপর যে নিন্দনীয় আক্রমণ চালানো হয়েছে, তা আমাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের এই সময়টা নিরাপত্তার দিক থেকে খুবই তাৎপর্যপুর্ন। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে আসা বাংলাদেশের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ সম্প্রতি বিভিন্ন জায়গায় পতিত স্বৈরাচারের সমর্থকদের হাতে আক্রমনের শিকার হয়েছেন। আমি নিশ্চিত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমার সহকর্মীরা এইসব ব্যপার সামনে রেখেই তাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন। কিন্তু আমাকে অনেকে জানতে চেয়েছেন যে, বাংলাদেশ মিশনের পক্ষ থেকে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিলো কী না?

আমরা জাতি হিসেবে লড়াই করেছি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য, আর আজ এমন সময়ে এসে যদি আমাদের নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না যায়-তাহলে সেটি কেবল অবহেলা নয়, ইতিহাসের কাছে এক অমার্জনীয় ব্যর্থতা।

এই হামলা শুধু ব্যক্তির উপর নয়, এটি বাংলাদেশের মর্যাদা, আমাদের গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার এবং একটি নতুন পথচলার উপরও হামলা। ’

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিনিধি দলের সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেছেন বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতাকর্মীরা।

বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার সময় যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে গেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তার সফরসঙ্গী হয়েছেন ছয়জন রাজনৈতিক নেতা। তারা হলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ড. নকিবুর রহমান তারেক, যিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকেই প্রতিনিধিদলে যোগ দেবেন।