খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২২ বৈশাখ, ১৪৩৩

কীভাবে বুঝবেন, সে আপনার বন্ধু নয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
কীভাবে বুঝবেন, সে আপনার বন্ধু নয়

 

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

আপনার সঙ্গে বন্ধুর মতোই মিশতে চাইছে কিন্তু সে আসলে আপনার বন্ধু নয়। বিষয়টা একটু বুঝিয়ে বলা দরকার।

আপনার জীবনে কিছু মানুষ পাবেন যারা মুখে বলার চেষ্টা করবে যে তারা আপনার ভীষণ শুভাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু কাজের বেলায় আর তার চিহ্ন মিলবে না। বরং আপনি একটু ভালো করে খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন, সে আসলে আপনার বন্ধু নয়, বন্ধুর মতো অভিনয় করছে কেবল। কীভাবে বুঝবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক- 

১. তারা সুখের সময়ে আপনার পাশে থাকে

একজন সত্যিকারের বন্ধু ভালো এবং খারাপ- সব সময়েই আপনার পাশে দাঁড়াবে। যদি কেউ শুধু ভালো সময়ে আপনার পাশে থাকে কিন্তু কঠিন সময়ে চলে যায়, এটি একটি সমস্যা। বেশিরভাগ সময় এটি একটি চিহ্ন যে সে কেবল স্বার্থের জন্য আপনার জীবনে আসে। যখন মনে করে যে আপনার কাছে থাকা লাভজনক, তখনই কেবল থাকে।

২. আপনার সাফল্যে খুশি হয় না

একজন সত্যিকারের বন্ধু আপনার কৃতিত্ব উদযাপন করতে পেরে খুশি হবে। যদি সে আপনার সাফল্যকে ছোট করে, কটু মন্তব্য করে বা ঈর্ষান্বিত হয়, তাহলে তার উদ্দেশ্য আরেকবার ভেবে দেখুন। ভালো বন্ধুরা একে অপরকে লালন করে এবং একে অপরের সাফল্য উদযাপন করে। আপনার সাফল্যে যে কখনোই প্রশংসা করে না সে কখনো আপনার বন্ধু হতে পারে না।

৩. সে কেবল নিজের কথাই বলে

বন্ধুত্বের মধ্যে পরস্পরের কথা শোনার আগ্রহ থাকতে হবে। কেবল একপক্ষ বলবে আরেক পক্ষ শুনবে, এটা বন্ধুত্ব নয়। এরকম আচরণ কেউ করলে বুঝতে পারবেন সে আপনার কথা শুনতে আগ্রহী নয়। এটি আত্মকেন্দ্রিকতার একটি লক্ষণ। যারা আত্মকেন্দ্রিক তারা আপনার সম্পর্কে যত্নশীল হবে না এবং আপনার সমস্যাগুলো নিয়ে তাদের সঙ্গে মন খুলে কথাও বলতে পারবেন না। সত্যিকারের বন্ধুরা সব কথা মন খুলে বলতে পারে।

৪. তারা খুব কমই নিজে থেকে কথা বলে

যেকোনো বন্ধুত্বের জন্য দুই পক্ষকেই টিকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। যদি সব সময় আপনিই কেবল যোগাযোগ করেন, কিন্তু সে নিজে থেকে খোঁজ না নেয়, তাহলে সে আপনার বন্ধু নয়। যদিও ব্যস্ত জীবনে সব সময় আগে থেকে খোঁজ নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তবে যদি তার আন্তরিকতা না থাকে তা আপনি নিজেই টের পাবেন। তাই এ ধরনের মানুষকে বন্ধুত্বের জায়গা দেবেন না।

ফেব্রুয়ারিতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
ফেব্রুয়ারিতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতের জন্য মনোনীত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।

 

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। এজন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

বৈঠকে সার্জিও গোর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রতি সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা, সার্ক পুনরুজ্জীবন, রোহিঙ্গা সংকট এবং ঢাকাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত ভ্রান্ত তথ্য প্রচারসহ দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা কক্সবাজারে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতা চান। এ সময় মার্কিন কর্মকর্তারা রোহিঙ্গাদের জন্য জীবনরক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টা সার্জিও গোরকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের দেখে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের দেখে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

গাজীপুরের টঙ্গীতে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের চিকিৎসাসহ সব ধরনের সহযোগিতা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি দুর্ঘটনায় দগ্ধ রোগীদের দেখতে যান তিনি।

এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দগ্ধদের যত ধরনের সাপোর্ট প্রয়োজন, সরকারের পক্ষ থেকে তা নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসায় কোনো অবহেলা হবে না।

কেমিক্যাল গোডাউন অপসারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরান ঢাকায় কেমিক্যাল দুর্ঘটনার পর সেসব গোডাউন মুন্সিগঞ্জের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। টঙ্গীর ঘটনাটি একটি দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা। আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, বর্তমানে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্য ভর্তি আছেন। তাদের শরীরের ৪০ শতাংশের বেশি দগ্ধ হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দগ্ধ রোগীদের দেশের বাইরে নিলে ভালোও হতে পারে, আবার ঝুঁকিও থাকতে পারে। এজন্য বিষয়টি সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে টঙ্গীর একই ঘটনায় দগ্ধ আলআমিন হোসেন বাবু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নিউইয়র্কে ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: মুশফিকুল আনসারী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: মুশফিকুল আনসারী

ঢাকা: মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের রাজনৈতিক সফর সঙ্গীদের ওপর পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে তিনি এ কথা লিখেছেন।

 

মুশফিকুল ফজল আনসারী লিখেছেন,
‘নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, জুলাই আন্দোলনের এক বীর সেনানী এবং একজন মহিলা রাজনৈতিক নেত্রীর উপর জঙ্গী কায়দায় হামলে পড়া, নিশ্চয়ই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন আমলে নিবে।

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপর যে নিন্দনীয় আক্রমণ চালানো হয়েছে, তা আমাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের এই সময়টা নিরাপত্তার দিক থেকে খুবই তাৎপর্যপুর্ন। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে আসা বাংলাদেশের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ সম্প্রতি বিভিন্ন জায়গায় পতিত স্বৈরাচারের সমর্থকদের হাতে আক্রমনের শিকার হয়েছেন। আমি নিশ্চিত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমার সহকর্মীরা এইসব ব্যপার সামনে রেখেই তাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন। কিন্তু আমাকে অনেকে জানতে চেয়েছেন যে, বাংলাদেশ মিশনের পক্ষ থেকে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিলো কী না?

আমরা জাতি হিসেবে লড়াই করেছি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য, আর আজ এমন সময়ে এসে যদি আমাদের নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না যায়-তাহলে সেটি কেবল অবহেলা নয়, ইতিহাসের কাছে এক অমার্জনীয় ব্যর্থতা।

এই হামলা শুধু ব্যক্তির উপর নয়, এটি বাংলাদেশের মর্যাদা, আমাদের গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার এবং একটি নতুন পথচলার উপরও হামলা। ’

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিনিধি দলের সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেছেন বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতাকর্মীরা।

বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার সময় যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে গেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তার সফরসঙ্গী হয়েছেন ছয়জন রাজনৈতিক নেতা। তারা হলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ড. নকিবুর রহমান তারেক, যিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকেই প্রতিনিধিদলে যোগ দেবেন।